ফালতু পোস্ট

মা মরছে আজ অনেক বছর। ৮ বছর হয়ে গেলো। মায়ের অনেক শাড়ি ছিলো।শাড়ী পুরান হই গেলে সেগুলা দিয়ে কাঁথা বানাতো।গ্রামের দিকের অলিখিত নিয়ম কিনা কে জানে। অনেকগুলা কাঁথা বানিয়ে গেছে মায়। তো আজ কাথা গায়ে দিয়া শুইছি। কাপড়টা চেনা চেনা লাগে। দেখি মা'র গায়ের শাড়ি আমার গায়ের উপরে। নাক ডুবিয়ে গায়ের গন্ধ...
মানুষ মাত্রই পলিটিক্যাল।সে যেভাবে লাইফ লিড করে,তার জীবন-যাপন এর সিস্টেম,যেভাবে সে অন্ন সংস্থান করে,মৌলিক অধিকার গুলোর মিটায় তার সবকিছুর পেছনেই পলিটিক্স এর অবদান আছে। কাজেই আপনি যেইই হউন না কেন পলিটিক্স এ এড়িয়ে আপনি জীবন যাপন করতে পারবেন না। আমরা সাধারনত বলে থাকি যে,-আমরা সমাজে বাস করি। কথা টা এভাবে...
যখন আমার অনেক টাকা হবে,   তখন ইয়া বড় করে একটা বাথরুম বানাবো! হাগা মত শৈল্পিক কাজ-কর্মকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্যে এই বাথরুমে অনেক ডেকোরেটিং করবো! মার্ভেলের টাইলস লাগাবো,ঝাড়বাতি লাগাবো।   শান্তিতে হাগার উপর কিছু নাই।তাই এসি লাগাবো!ইয়া বড় দেখে। জাপানের toto এর টয়লেট নাকি বিশ্বের সেরা। সুচু করতে হাত লাগবে...
১৫০৭ সালে নোয়াখালীকে আলাদা রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করেন তৎকালীন রাজা শ্রী বালবাহাদুর ঠাপা। বৃটিশ শাসনামলে নোয়াখালীকে উপমহাদেশের রাজধানী ঘোষণা করেন- প্রিন্স এলেক্স ডি লুথিয়ানা। সারাবিশ্ব তখন নোয়াখালী'র প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। পর্যটন শিল্প এলাকার গর্ব হিসেবে তখনকার শাসকগোষ্ঠী কোটিকোটি বৈদেশিক+স্বর্ণমুদ্রা বাগিয়ে নেয়। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে বৃটিশেরা পিছু হটলেও শুধুমাত্র নোয়াখালীকে...
চলুন একটা গল্প বলি।ইন্টারেস্টিং কিনা বলতে পারবো না।তবে আমাদের এই গল্পের চরিত্র গুলো ভালোই!অন্তত ধারে-ভারে,হাড়ে-হাড়ে অন্তত আক্কুনী আর হেবোনীর চেয়ে তো অনেকাংশেই ভালই। অবশ্য যারা আক্কুনী আর হেবোনির কাহিনী জানে না,তাদের উচিত এক্ষুনি এই লিংকে গিয়ে কাহিনীটার সর্বোপরী জেনে আসা। এই গল্পটা লেখার পেছনে একটা অচিন্তনীয় মর্মঘাতী ব্যাপার-স্যাপার আছে! 😜 আমি যেটাকে...
সবাই দিতেসে...শুভকামনামূলক স্ট্যাটাস!! এবং স্বাভাবিক ভাবেই কেউ থ্রেট দিয়ে স্ট্যাটাস দেয় নাই আর এদিকে আমারে কয়েকটা ফেসবুকের ইনবক্সে জ্বালায়া মারতেসে আমি ও যেন তাদের জন্যে দোয়া-দুরুদ পড়া ঝাড়-ফুক দিয়া স্ট্যাটাস মারি!! যদি ও আমি যে লেভেলেরর কুফা,কাউরে দোয়া করলে উলটা তার কপালে আবার খারাবিটাই ঘটে!! সবাই বলতেসে গোল্ডেন পাইলে ভালো,না পাইলে ও সমস্যা...
এক, সাধারণত অবসর সময়ে,যখন আমি নস্টালজিক হয়ে যাই,তখন আমি পরোটা খেতে খেতে আমার দুই বন্ধু আর রায়হান আখন্দ এবং ইমতিয়াজ আল হাবীবের কথা ভাবি। তাদের কথা ভাবতে গেলে মনে পড়ে যায় তাদের দুই স্ত্রীর কথা।যাদের সম্পর্কে নানা রকম প্রাণঘাতী কথা-উপকথা শুনে আমি বিয়ে না করে চিরকুমারব্রত পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মাঝে মধ্যে যখন...