সবাই দিতেসে…শুভকামনামূলক স্ট্যাটাস!!
এবং স্বাভাবিক ভাবেই কেউ থ্রেট দিয়ে স্ট্যাটাস দেয় নাই
আর এদিকে আমারে কয়েকটা ফেসবুকের ইনবক্সে জ্বালায়া মারতেসে আমি ও যেন তাদের জন্যে দোয়া-দুরুদ পড়া ঝাড়-ফুক দিয়া স্ট্যাটাস মারি!!

যদি ও আমি যে লেভেলেরর কুফা,কাউরে দোয়া করলে উলটা তার কপালে আবার খারাবিটাই ঘটে!!

সবাই বলতেসে গোল্ডেন পাইলে ভালো,না পাইলে ও সমস্যা নাই।
এক্সাম হলের তিন ঘন্টা তোমারে মূলাইতে পারবে না! ব্লা ব্লা ব্লা………
যদিও এই বানীটা আজকাল বেশী ঝাড়ে বড় ভাই-বইন টাইপের মানুষজন!

আর সর্বপ্রথম..বানীটা ঝেড়ে চিপায় পড়েসিলেন টমাস আলভা এডিসন নামের বধির আর গাধা টাইপ জিনিয়াস একজন!আমাদের বড় ভাই-বইন টাইপের লোকদের গুরু হইলো এই টমাস ব্যাডায়।


যাকগে এডিসন সাহেব এইটা বলেই ক্ষান্ত হন নাই,বরং তিনি দুনিয়া বদলায়ে দিসেন।কেমনে দিসেন সেটা তো দেখতেই পাচ্ছি!
তিনি বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেছেন বলেই আজ আমরা মোমবাতি না জ্বালিয়েইই টিভি দেখতে পারি!!

যদিও আমরা যারা তথাকথিত বড়ভাই-বোন গুলা,আছি এরা দুনিয়া বদলায়ে দেওয়া দূরে থাক,মা-বাপ-গফের ঝাড়ি শুনতে শুনতে রীতিমত জেরবার অবস্থা!!
পারি খালি ইন্টেক ইন্টেক বানী ঝাড়তে,কিন্তু কামের বেলায় ঠনঠন
যদিও আমরা এডিসনের মত গাধা না।বরং এডিসন ফেইল মারলেও আমরা বস্তায় বস্তায় প্লাস উপহার দিসি! 

আমি মাঝে মধ্যে উদাস হয়ে ছাদের বদলে রুমে বসে,আকাশের বদলে রুমের ছাদের দিকে তাকিয়ে ভাবি,
হালার এডিসন যদি বঙ্গদেশে জন্ম নিতো,এই বানী ভুল করে ও ঝাড়তো না, ঝাড়ার টাইমই পেতো না আর কি!!

পড়াশোনা নামক মর্মান্তিক নির্যাতনে,এবং
মা-বাপ-সমাজ-পাশের বাড়ির আন্টি সবার চোখ-মুখ-কান-নাক পুরা দেহ উজ্জ্বল করার নিমিত্তে গোল্ডেন এ প্লাস কালেক্ট করার জন্যে দিনরাত বইয়ের পাতায় নাক-কান-মুখ গুঁজে দিতো নয়তো এক্সামের আগের দিন সন্ধ্যেবেলায় মোড়ের ফটোকপির দোকানে প্রশ্নের জন্যে লাইন দিতো!!

এবং শেষমেশ চিরাচিত বঙ্গদেশীয় নিয়মে গোল্ডেন এ প্লাস পাইই যাইতো
আর বাপ-মা-সমাজ-পাশের বাড়ির আন্টি-চৌদ্ধগুষ্টি  সবাইকে মিস্টি মুখ করে আবার পড়তে বসতো(পড়ার নাই শেষ)।বিদ্যুৎ আবিষ্কার করা লাগতো না,আর আমাদের হারিকেন জ্বালিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ দেখতে হইতো!!

সো আজকে আমি এসব এডিশন-ফেডিশনের বানী ঝাড়তে পারুম না,অন্তত এই বঙ্গদেশের ছাত্রছাত্রীদের জন্যে তো নয়ই!!

রেজাল্ট খারাপ হইলে,
আমরা বড়ভাই গুলা যতই স্বান্তনারস্বরে বলি এক্সামের তিন ঘন্টা তোমার ভবিষ্যত নির্ধারণ করতে পারবে না,কিন্তু
আজ অবদি কোন বাপ-মা-সমাজকে এই কথা বলতে দেখা যায় নি।
তারা চান যে কোন মূল্যে তাদের ছেলে এ প্লাস পেয়ে পাশের বাড়ির আন্টির কাছে নিজের মান রাখুক!

আর প্লাস না পেলে?
কোন সহানুভুতি তো নেইইই………
বরং তোর জন্যে এই করসি-ওই করসি,জন্ম দিসি,পেটে ধরসি(যদি ও পেটে ধরার আগে কোন অনুমতি নেয় নাই) এসব তো বলবেই,বরং তারা চোখে আংগুল দেখিয়ে উপহাস করবে,তাদের স্বপ্নভঙ্গের(!) জন্যে দায়ী করবে!
প্রত্যেকটা কথায় কথায় মনে করিয়ে দিবে,তুই একটা কুলাংগার,এই পরিবারের কলংক, তুই দেশ জাতি ও পরিবারকে হতাশ করছিস!

এদের জন্যে আমার কোন সহানুভূতি নাই।
আমার ওই সব ছাত্রছাত্রীদের জন্যে কোন সহানুভূতি নাই,যারা নিজের স্বপ্নকে জলাঞ্জলি দিয়ে মা-বাবার স্বপ্ন(ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া আর কি বালের স্বপ্নই তারা দেখে!) পুরনের জন্যে পড়ে!!

সো গোল্ডেন পাইলে ভাল,না পারলে বেঁচে থাকার দরকার নাই!
এই কুফা-চোদা (স্যরি ফর ইউজিং স্ল্যাং) মুখ সমাজকে দেখানির আগেই
মরে ভূত হয়ে যাওয়া ভাল!
তাতে বাপ মা গুলা মুক্তি পাবে!
কবরে থাকা দাদা নানারা ও উঠে গাইল্লানোর হাত থেকে মুক্তি পাবে!
আর হ্যাঁ সুইসাইড করার জন্যে অনেক ভাল ওয়ে আছে।ট্রেনের চাক্কার নিচে কল্লা পেতে দিলে মন্দ হবে না!!
এতে ভয় লাগলেও গুগল করো!
আজকাল ভায়োলেন্ট জিনিসে গুগল ভরে গেছে!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here