১৫০৭ সালে নোয়াখালীকে আলাদা রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করেন তৎকালীন রাজা শ্রী বালবাহাদুর ঠাপা। বৃটিশ শাসনামলে নোয়াখালীকে উপমহাদেশের রাজধানী ঘোষণা করেন- প্রিন্স এলেক্স ডি লুথিয়ানা। সারাবিশ্ব তখন নোয়াখালী’র প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। পর্যটন শিল্প এলাকার গর্ব হিসেবে তখনকার শাসকগোষ্ঠী কোটিকোটি বৈদেশিক+স্বর্ণমুদ্রা বাগিয়ে নেয়।

বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে বৃটিশেরা পিছু হটলেও শুধুমাত্র নোয়াখালীকে তারা নিজেদের অধীনস্থ রাখতে চায়।
কিন্তু, আফসোস তাদের পরাজয়বরণ করার পর সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
তারা যদি তখন পরাজয় বরণ না করতো তাহলে নোয়াখালি আরো ঐশ্বর্যমন্ডিত জায়গা হিসেবে পরিচিত হইতো এই সাবকান্টিনেন্টে!

বৃটেনের রাণী ২য় এলিজাবেথ একবার এক নোয়াখালী বাসিন্দার সাথে রাগান্বিত স্বরে কথা বলতে গেলে, সেই ব্যক্তি বলে ওঠেন- “আই কিয়াচ্চি তোঁরে”?

রাণী এলিজাবেথ বাক্যটি রিসার্চ করে ইউরেকা বলে চিৎকার দিয়ে ওঠেন। অপরাধী ব্যক্তির বলা-“আই” মানে আমি। যা , নিজের মাতৃভাষার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। অতঃপর ১৯৯০ সালে বৃটেন পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে নোয়াখালীকে ২য় বৃটেন ঘোষণা করা হয়। 


05/04/90 তারিখে “দ্য নিউইয়র্ক টাইমস” এ খবরটি প্রকাশিত হলে, তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভায় মিলাদে শিন্নি পালন ও মিষ্টি ও জিলাপি বিতরণ করা হয়।যা তখন সরকারি চ্যানেল বিটিভিতে প্রচার করা হয়েছিলো!দেখাদেখি কুমিল্লা বাদে সারাদেশেই জিলাপি বিতরনের হিড়িক পরে গেছিলো।  


আজ সেই ঐতিহাসিক জেলাটিকে বিভাগ ঘোষণা করে তার পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি অমূলক নয়।
নোয়াখলির ইতিহাস তার পক্ষেই কথা বলে!

-একজন প্রাউড নোয়াখালির বংশধর!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here